বাংলাদেশ শিশু সুরক্ষা উদ্যোগ

চুপ নই।Not Silent.

আমরা দেখছি। আমরা বলবো।

আমরা সাধারণ মানুষ। একটা শিশু কষ্ট পেলে ঘুমাতে পারি না। তাই এটা বানিয়েছি।

৭,০৬৮
২০২৫ সালে ধর্ষণের মামলা
২৭%
২০২৪ থেকে বৃদ্ধি
৯৯%
মামলা জনসমক্ষে অদৃশ্য

বিচার বিলম্বিত মানে বিচার না পাওয়া

বাংলাদেশের আদালতে ১,৩২,১০৭ ধর্ষণের মামলা অপেক্ষমাণ। চারিটির একটি পাঁচ বছরেরও বেশি অপেক্ষা করেছে। বেঁচে যাওয়া মানুষ দ্রুত বিচার পাওয়ার যোগ্য।

আরও জানুন
১৩২,০০০+
অপেক্ষমাণ মামলা
৯৯
আদালত
৩০,০০০+
৫+ বছর অপেক্ষায়
২৩%
সিস্টেমে আটকে আছে
সমাজের সুরক্ষা
এই তালিকা সমাজকে সেই মানুষদের সম্পর্কে তথ্য দেয় যারা শিশুদের জন্য হুমকিস্বরূপ।
যাচাইকৃত তথ্য
প্রকাশের আগে প্রতিটি তথ্য আদালতের নথি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য ও এনজিও রিপোর্টের বিপরীতে যাচাই করা হয়।
ভুক্তভোগীর পাশে
আমরা ভুক্তভোগীদের সাথে আছি। সাহায্যের প্রয়োজন হলে আইন ও সালিশ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন: ০১৭৭৯-৫৫৪৩৯১।

Public Record

অপরাধী রেজিস্ট্রি

Showing 1 of 1 records

View all →
NameOffenseLocationDateStatus
Test
Age Test
শিশু যৌন নির্যাতন, গণধর্ষণ, যৌন শ্লীলতাহানিTestTestঅভিযুক্ত (মামলা দায়ের করা হয়েছে, বিচার চলছে)

আমাদের সনদ

আমরা যা বিশ্বাস করি

বাংলাদেশে শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা বন্ধ করতে ৫টি সরকারি দাবি এবং ৫টি সামাজিক কর্তব্য।

সরকারের কাছে দাবি

বাধ্যতামূলক রিপোর্টিং আইন

যে কেউ জানলে আইনত জানাতে বাধ্য। চুপ থাকা নিজেই অপরাধ হবে।

জাতীয় যৌন অপরাধী নিবন্ধন

দোষী সাব্যস্তদের একটি পাবলিক ডেটাবেজ। স্কুল ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়োগের আগে দেখতে পারবে।

ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত, ১৮০ দিনে রায়

প্রতিটি ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হতে হবে।

সরকারি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা

প্রতিটি উপজেলায় প্রতিটি ভুক্তভোগীর জন্য বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা।

অনলাইন শোষণ প্রতিরোধ টাস্কফোর্স

নির্যাতন হওয়ার আগেই অনলাইন শিকারিদের খুঁজে বের করার বিশেষ দল।

আমাদের যা করতে হবে

শরীরের নিরাপত্তার কথা বলুন

শিশুকে বলুন, অনুমতি ছাড়া কেউ তার শরীর স্পর্শ করতে পারবে না। এই কথাটা জীবন বাঁচায়।

সতর্ক থাকুন, চুপ থাকবেন না

সতর্কতার লক্ষণ দেখলে রিপোর্ট করুন। বুলিং, নিষ্ঠুরতা, নির্যাতন — কথা বলুন।

ভুক্তভোগীকে বিশ্বাস করুন

তারা কী পরেছিল, কোথায় গিয়েছিল — প্রশ্ন করবেন না। আগে বিশ্বাস করুন।

দীর্ঘমেয়াদী সচেতনতা

তিনদিনের আবেগ নয়। স্কুলে, মসজিদে, পাড়ায় বছরের পর বছর কথা বলতে হবে।

কমিউনিটি লিডারদের জবাবদিহিতা

শিক্ষক, ইমাম, কাউন্সিলরকে সরাসরি জিজ্ঞেস করুন। আপনার নীরবতা তাদের সাহস দেয়।

এটা স্বপ্ন না। এটা আমাদের দাবি।

চুপ নই।

আমাদের গল্প

আমরা কারা?

সত্যি বলতে? আমরা কেউ না।

আমরা কোনো এনজিও না। আমাদের কোনো নিবন্ধন নম্বর নেই, বার্ষিক প্রতিবেদন নেই, বিদেশি অনুদান নেই। আমরা সেই ধরনের মানুষ না যারা বিদেশ থেকে ফান্ড এনে সমাজ বদলানোর কথা বলে।

আমরা রাজনীতিবিদ না। কোনো দলের পতাকা নেই, নির্বাচনী এলাকা নেই, সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো টেবিলে আমাদের আসন নেই।

আমরা সেলিব্রিটি না। এই ওয়েবসাইটে আমাদের ছবি নেই — এটা ইচ্ছাকৃত। পরিচিত মুখ দিয়ে মানুষের মনোযোগ কিনতে চাই না আমরা।

আমাদের কোনো অফিস নেই। কোনো বোর্ডরুম নেই, কনফারেন্স টেবিল নেই, বড় পরিকল্পনা আঁকার চেয়ার নেই।

আমরা শুধু সাধারণ মানুষ।

যারা রাতে ঘুমাতে পারে না যখন শুনি কোনো শিশু কষ্ট পেয়েছে। যারা সকালে পত্রিকা খোলে একটা অজানা ভয় নিয়ে, কারণ জানি কোথাও না কোথাও আবার কিছু একটা ঘটেছে। যারা ফিডে স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ থমকে যায়, বুকের মধ্যে একটা ভার অনুভব করে, আর ভাবে — এরপর কী হবে?

আমরা সেই মানুষ যারা শুধু রাগে থামতে পারিনি। যারা নিজেদের জিজ্ঞেস করেছি — এই রাগটাকে কি কোনো কাজে লাগানো যায়?

আমরা সরকারের বিরুদ্ধে না। আমরা চাই সরকার তার দায়িত্ব পালন করুক। কিন্তু আমরা এটাও জানি শুধু অপেক্ষা করা আর দেখা যথেষ্ট না।

এই দেশের ইতিহাস বলে, সত্যিকারের পরিবর্তন তখনই আসে যখন সাধারণ মানুষ নিজেরা দাঁড়ায়। আমরা দাঁড়াতে চাই। চিৎকার করে না, একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।

আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে চাই। যাচাই করতে চাই। এবং সঠিক কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছে দিতে চাই। কোনো তামাশা ছাড়া, ভাইরাল পোস্ট ছাড়া, একটা পরিষ্কার এবং দায়িত্বশীল ব্যবস্থার মাধ্যমে।

এটাই আমরা।

আমরা সাক্ষী। আমরা রেকর্ড রাখি। আমরা সেই মানুষ যারা বলে,

“আমরা দেখছি। আমরা বলবো।”

চুপ নই।

সাহায্য লাগবে? আমরা আছি তো? জানান!

সাহায্য লাগলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই আমাদেরকে জানান। কথা দিচ্ছি পাশে দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

হাত বারান →